বিদেশে কর্মী পাঠানোর খরচ কমানো এবং অভিবাসন খাতে প্রতারণা ও দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে প্রবাসীদের শ্রম, ত্যাগ ও অর্জনের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) আয়োজিত ‘সোনার মানুষ সম্মিলন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি। এই রেমিট্যান্স শুধু লাখো পরিবারের জীবনমান পরিবর্তন করছে না, জাতীয় অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করছে। তাই দেশের উন্নয়নে অবদান রাখা প্রবাসীদের শ্রম, ঘাম ও ত্যাগের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের রাজনৈতিক ও জাতীয় ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতি। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাদের ভূমিকা অভূতপূর্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের অর্থনৈতিক ও জাতীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অভিবাসনপ্রক্রিয়ায় নানা ধরনের হয়রানি ও অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিদেশে যেতে কর্মীদের যে ব্যয় করতে হয়, তা কমানো জরুরি। পাশাপাশি প্রতারণা ও দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকার ধ্বংসস্তূপ থেকে কাজ শুরু করলেও দেশ ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। এ অবস্থায় সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে জয় অর্জন করতে হবে বলে তাগিদ দেন তিনি।








