লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ ঘোষণার একদিন পার না হতেই দুই পক্ষ আবার পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে।
গতকাল শুক্রবার দিনভর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের মধ্যে এ লড়াই চলে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননের ইয়াতের ও কাফরা শহরে হিজবুল্লাহর রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এসব রকেট লঞ্চার ইসরায়েলি সেনা ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননের রামিয়াহ এলাকায় ইসরায়েলের একটি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, দক্ষিণ লেবাননে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস করার জবাবে তারা এ হামলা চালিয়েছে।
হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েল ঘরবাড়ি ধ্বংস করে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে ঘোষণার পর থেকেই উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, লেবানন থেকে আসা ‘যেকোনো হুমকির’ বিরুদ্ধে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যাবে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তবে হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েল লেবাননের ভূখণ্ডে হামলা অব্যাহত রাখায় এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির এখন আর কোনো অর্থ নেই।
তথ্যসূত্র: সিএনএন








