ভবানীপুর বিধানসভা আসনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। এই ফলাফলে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
এই আসনে মুখোমুখি হয়েছিলেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুরু থেকেই লড়াই ছিল হাড্ডাহাড্ডি, তবে গণনার শেষ পর্যায়ে গিয়ে স্পষ্ট ব্যবধান গড়ে তোলেন শুভেন্দু এবং জয় নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী দুটি আসন, ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং দুটিতেই জয়লাভ করেন। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র ভবানীপুর আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এই আসনে পরাজয়ের ফলে তার বিধানসভায় যাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত বন্ধ হয়ে গেল।
ভোট গণনা অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। বিকেলের দিকে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একপর্যায়ে দেখা যায়, তিনি শুভেন্দুর থেকে পিছিয়ে পড়ছেন। এরপর তিনি গণনাকেন্দ্র ত্যাগ করেন এবং অভিযোগ তোলেন যে, এবারের নির্বাচনে ১০০টিরও বেশি আসনে কারচুপির মাধ্যমে ফল প্রভাবিত করা হয়েছে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে, কারণ এখনও গণনা বাকি রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত জয় তাদেরই হবে বলে তিনি দাবি করেন।
নিজের কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে দলীয় কর্মী ও কাউন্টিং এজেন্টদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি সামলানোর আহ্বান জানান মমতা। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। এসব মন্তব্যের পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তিনি কালীঘাটের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হন।








