শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

সবশেষ

‘পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ইরান’

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক বিশ্লেষক ল্যারি জনসনের দাবি, ইরান এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, যেখানে দেশটি খুব শিগগিরই নিজেকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করতে পারে।

জাজিং ফ্রিডম পডকাস্টে বিচারক অ্যান্ড্রু নেপোলিটানোর সঙ্গে এক আলোচনায় জনসন আরও দাবি করেন, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে এ বিষয়ে একটি ‘রেড অ্যালার্ট’ বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।

তার এই বক্তব্যের পর গত ২৯ মে অনুষ্ঠিত ইসহাক দার ও মার্কো রুবিওর বৈঠক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল, তবু আলোচনার প্রকৃত বিষয়বস্তু নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

তবে জনসনের দাবি ইতোমধ্যে সরাসরি নাকচ করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইসলামাবাদ বলেছে, পারমাণবিক কার্যক্রম সংক্রান্ত কোনো গোপন তথ্য বা প্রতিবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভাগাভাগি করার দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অনুমাননির্ভর এবং অসত্য।

এদিকে ল্যারি জনসনের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান নাকি দেশটির পারমাণবিক অগ্রগতির বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে অবহিত করেছেন।

একই ধরনের মন্তব্য করেছেন ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক পেপে এসকোবার। তার দাবি, ইরান অভ্যন্তরীণভাবে একটি পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার বার্তা বিশ্বকে দিতে পারে।

যদিও এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকেও এমন কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ আসেনি, তবুও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *