গ্রুপ পর্ব শেষ হতেই বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে স্পষ্ট ব্যবধান গড়ে ফেলেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তিন ম্যাচে ৬ গোল করে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তবে তার সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং আর্লিং হলান্ড। চারজনেরই গোলসংখ্যা ৪। এর মধ্যে দুটি অ্যাসিস্ট থাকায় এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক খেলোয়াড়ের গোল সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্ট। তাতেও সমতা থাকলে কম সময় মাঠে খেলা ফুটবলারের অবস্থান এগিয়ে থাকে।
জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে শুরুতে বিশ্রামে ছিলেন মেসি। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ৮০ মিনিটে দৃষ্টিনন্দন এক ফ্রি-কিকে গোল করেন তিনি। সেই গোলেই ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচে গোল করার নজির গড়ে প্রথম ফুটবলার হিসেবে নতুন রেকর্ডের মালিক হয়েছেন মেসি। এর আগে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার রেকর্ড ছিল ফ্রান্সের জুস্ত ফন্টেইন (১৯৫৮) এবং ব্রাজিলের জেয়ারজিনহোর (১৯৭০)। এবার সেই কীর্তিকেও ছাড়িয়ে গেলেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।
এছাড়া ১৯৯৮ সালে বর্তমান বিশ্বকাপ ফরম্যাট চালুর পর গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করার কীর্তি ছিল মাত্র তিনজনের, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (২০১৮), ডেভিড ভিয়া (২০১০) এবং ফার্নান্দো তোরেস (২০১০)। চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে সেই তালিকায় নাম লেখালেন মেসি।
বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা এখন ১৯। এর আগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি ভেঙে দেন জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
অন্যদিকে, মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে শতভাগ জয়ের রেকর্ড নিয়ে। দলের এই সফল অভিযানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন অধিনায়ক নিজেই।








