সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সবশেষ

রমজানে আফগানিস্তানে ধর্মীয় স্কুল-মসজিদে পাকিস্তানের হামলা, নিহত বেড়ে ৮০

আফগানিস্তানে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতভর ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। আফগান সূত্র জানিয়েছে, ধর্মীয় স্কুল, বেসামরিক বাড়ি ও মসজিদে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বাহিনী। এতে অন্তত ৮০ জন নিহত হয়েছে। খবর টোলো নিউজ ও সিনহুয়ার। 

তবে ইসলামাবাদ দাবি করেছে, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তের কাছে সাতটি জঙ্গি ক্যাম্প ও আস্তানা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। নিহতরা জঙ্গি বলে দাবি পাকিস্তানের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের পাকতিকা ও নানগরহার প্রদেশে এসব হামলা হয়েছে। পাকতিকায় যে বেসামরিক বাড়িতে পাকিস্তানি বাহিনী হামলা চালিয়েছে- সেই পরিবারের সদস্য আব্দুল্লাহ জান বলেন, গতকাল মধ্যরাতে বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। টিটিপি’র সদস্যদের উপস্থিতির অজুহাতে তারা হামলা চালিয়েছে।

জেলার গভর্নর মিরজা আলি খান সাঈদ বলেছেন, মধ্যরাতে বোমাবর্ষণের পর রাত ২টায় আবার হামলা চালানো হয়। সেইসময় বাড়িতে কেউ ছিলেন তবে বাড়িটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। বার্মাল জেলায় একটি ধর্মীয় স্কুলেও হামলা চালানো হয়েছে।

মোহাম্মদ জুবায়ের নামে একজন প্রতক্ষ্যদর্শী বলেন, পরিস্থিতি অনেক খারাপ ছিল, শিশু ও নারীরা অনেক ভয়ে ছিল। ধুলো-ধোঁয়ায় বাতাস ভরে গিয়েছিল এবং সর্বত্র তীব্র গন্ধ ছিল। আশেপাশের বাড়ির বাসিন্দারা আমাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সাহায্য করে।

আফগানিস্তানের তালেবান প্রশাসন এসব হামলার ‘উপযুক্ত’ জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। আফগানিস্তানে পাকিস্তান বাহিনীর এই হামলায় ফলে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধবিরতি আরও নড়বড়ে হলো। সেইসঙ্গে প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।

আফগান

পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাতটি সন্ত্রাসী শিবির এবং আস্তানায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

ইসলামাবাদ দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামাবাদ, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় সংঘটিত হামলাগুলো আফগানিস্তানভিত্তিক নেতৃত্ব ও হ্যান্ডলারদের নির্দেশে পরিচালিত হয়েছে। এর ‘চূড়ান্ত প্রমাণ’ আমাদের হাতে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *