জব্দ করা ড্রোনটি বর্তমানে ইরানের বিমানবাহিনীর মহাকাশ ইউনিটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের মাধ্যমে এর প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি ড্রোনটি সত্যিই অক্ষত অবস্থায় জব্দ হয়ে থাকে, তবে এর সেন্সর, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অস্ত্র প্রযুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসফাহান ও তাবরিজসহ বিভিন্ন প্রদেশে আরও ছয়টি হার্মিস সিরিজের ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে মোট প্রায় ৩৫টি শত্রু ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে তেহরান।
হার্মিস ৯০০ ড্রোন দীর্ঘসময় আকাশে টহল দিতে সক্ষম এবং নজরদারি ও হামলা- দুই ধরনের অভিযানে ব্যবহৃত হয়। এটি ৩০ ঘণ্টার বেশি সময় একটানা উড়তে পারে এবং দিন-রাত, এমনকি মেঘ বা ধোঁয়ার মধ্যেও লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে। মাটিতে চলমান লক্ষ্যবস্তু ট্র্যাক করার ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত কার্যকর বলে বিবেচিত।








