ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ইরান এই অভিযানে উন্নত প্রযুক্তির হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কিছু ক্ষেপণাস্ত্রের অগ্রভাগে ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ গোলাবারুদ যুক্ত ছিল, যা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে।
হামলা শুরু হওয়ার পরপরই পুরো অঞ্চলজুড়ে শত শত সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, গুশ দান এলাকাসহ প্রায় ১৯৪টি বসতিতে একযোগে বিপদ সংকেত জারি করা হয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছোটাছুটি শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, তেল আবিব ও মধ্য ইসরায়েলের আকাশে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এর আগে ১৮তম দফার অভিযানে তারা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরের মতো কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। ওই হামলায় অন্তত সাতটি উন্নত রাডার সিস্টেম ধ্বংস করার দাবি করেছে তেহরান। তাদের মতে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত নজরদারি ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
গত ১০০ ঘণ্টা ধরে অধিকৃত অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন সাইরেন এবং বাসিন্দাদের ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে অবস্থান করাকে ইরান তাদের দীর্ঘমেয়াদী ও সুপরিকল্পিত ‘কঠোর প্রতিশোধের’ অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বর্তমানে বেনি ব্রাকসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে এবং জরুরি বিভাগগুলো ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে কাজ করে যাচ্ছে।








