মালয়েশিয়ায় পাঁচ নারীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় দোষ স্বীকার করা বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিক রমজান আলীর কারাদণ্ড বাড়িয়ে ১৮ মাস করেছেন কুয়ালালামপুর হাই কোর্ট। আগে নিম্ন আদালত তাকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল।
বুধবার (১৩ মে) মামলার রিভিউ শুনানি শেষে বিচারপতি আসলাম জাইনুদ্দিন এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামির বিরুদ্ধে বেত্রাঘাতের নির্দেশ এবং ১৫ হাজার ১০০ রিঙ্গিত জরিমানাও বহাল রাখা হয়। আদালত জানিয়েছে, গত ২৭ এপ্রিল গ্রেফতারের দিন থেকেই এই সাজা কার্যকর হিসেবে গণনা করা হবে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলের ১০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে কুয়ালালামপুরের বিভিন্ন এমআরটি ও এলআরটি স্টেশনে চারজন মালয়েশীয় নারী এবং এক জার্মান পর্যটককে যৌন হয়রানি করেন রমজান আলী।
গত সপ্তাহে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। তখন আদালত তাকে বিভিন্ন অভিযোগে ৩ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দিয়েছিল। তবে উচ্চ আদালত সেই শাস্তিকে অপর্যাপ্ত বিবেচনা করে সাজা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদা নুরদিনী বাহরুম আদালতে বলেন, নারীদের প্রতি যৌন হেনস্তা গুরুতর অপরাধ এবং এমন ঘটনায় কঠোর শাস্তি না হলে সমাজে ভুল বার্তা যাবে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রেদজুয়ান ইব্রাহিম আদালতের কাছে সাজা না বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে বলেন, যাতে সাজা শেষে আসামি দ্রুত নিজ দেশে ফিরতে পারেন।
তবে আদালত ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা ও অপরাধের গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে শাস্তি বাড়ানোর পক্ষে মত দেন।








