বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সবশেষ

ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইরানের পরিণতিও গাজার মতো হতো: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, এই সক্ষমতা না থাকলে ইরানের পরিস্থিতিও গাজার মতো ভয়াবহ হতে পারত। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তেহরান কোনো অবস্থাতেই তার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আপস করবে না।

পাকিস্তান সফরকালে দেওয়া এক বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের হাতে থাকা প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্রই দেশটিকে সম্ভাব্য ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রক্ষা করেছে। তার দাবি, এই সক্ষমতা না থাকলে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকেও গাজার মতো ব্যাপকভাবে ধ্বংস করে দিতে পারত এবং সাধারণ মানুষের প্রতিও কোনো ধরনের দয়া দেখাত না।

তিনি বলেন, আত্মরক্ষার সক্ষমতা ইরানের সার্বভৌম নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই এ বিষয়ে কোনো পক্ষের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতা বা ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে মঙ্গলবার ইসলামাবাদে পৌঁছান ইরানের প্রেসিডেন্ট। একই দিনে পৃথক ফ্লাইটে পাকিস্তানে আসেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পেজেশকিয়ান তেহরান থেকে সরাসরি ইসলামাবাদে পৌঁছান। অন্যদিকে ওমানে কূটনৈতিক সফর শেষ করে পাকিস্তানে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি।

রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে ইরানি প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি, পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি এবং ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিজ দেশের প্রেসিডেন্টকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানঘাঁটিতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *