রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সবশেষ

কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের, ক্ষয়ক্ষতির তথ্য অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান দাবি করেছে, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় সফল ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত এসব স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার (২৮ জুন) এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।

আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের ঘাঁটি ছিল হামলার মূল লক্ষ্য। তাদের দাবি, হামলায় আটটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে। শত্রুপক্ষের যেকোনো হামলা বা উসকানির ক্ষেত্রে ছোট-বড় কোনো লক্ষ্যবস্তুকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেছে আইআরজিসি।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাগুলোতে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আরও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

এর আগে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে।

এদিকে, আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হলেও, সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলাকে ওই সমঝোতার পর সবচেয়ে বড় উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *