মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন শ্রমবাজার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী তিন মাসের মধ্যে আগে যেসব খাতে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রফতানি হয়নি, সেসব খাতেও কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের লাগেজ পরিবহনের জন্য ট্রলি কার্যক্রম উদ্বোধন ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশ থেকে ইতোমধ্যে প্রায় চার লাখ কর্মী বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়েছে। তবে শ্রমবাজারে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভর না করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও নতুন সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে সরকার।
তিনি জানান, নতুন শ্রমবাজারের পাশাপাশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন খাতও চিহ্নিত করা হচ্ছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে অতীতে যেসব সেক্টরে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রফতানি হয়নি, সেসব খাতে কর্মী পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শুধু সংখ্যা নয়, দক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর গুরুত্ব
প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে শুধু সংখ্যাকে গুরুত্ব দিলে হবে না। কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে।
দক্ষ কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে দেশের শ্রমবাজার আরও সম্প্রসারিত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। নতুন বাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের সুযোগ তৈরি করতে দক্ষ জনশক্তিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে হবে রেস্টহাউস
প্রবাসী কর্মীদের বিমানবন্দরকেন্দ্রিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রবাসীরা যাতে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কাছে অবস্থান করতে পারেন, সে জন্য একটি রেস্টহাউস নির্মাণ করা হবে।
এর আগে, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কর্মীদের লাগেজ পরিবহনের সুবিধার্থে ট্রলি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী। একটি ট্রলি হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।








