মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়াতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানালেন দেশের আলোচিত আইনজীবী জেড আই খান পান্না। বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানান—রাষ্ট্র তাকে দায়িত্ব দিলেও তিনি এই মামলা গ্রহণ করছেন না।
পান্না ভিডিওতে গম্ভীর কণ্ঠে বলেন,
“যে আদালতের প্রতি শেখ হাসিনার আস্থা নেই, সেই আদালতে আমি তার হয়ে লড়তে পারি না। রাষ্ট্র আমাকে নিয়োগ দিলেও আনুষ্ঠানিক চিঠি পাওয়ার পর আমি ফরমালভাবে পদত্যাগ জানাব।”
তার এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন আলোড়ন। কারণ দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে আদালতে দাঁড়ানোর দায়িত্ব নেওয়ার মতো কাউকে পাওয়া এখন আরও কঠিন হয়ে গেল।
এদিকে পান্না জানান, তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান সম্প্রতি একটি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন, এবং সেই মামলায় তিনি লড়াই করবেন।
আরও পড়ুনঃ ঢাকায় আবার ভূমিকম্প
শেখ হাসিনার মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেও দুদকের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সজিব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পক্ষে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর থেকেই আইনি মহলে প্রশ্ন উঠেছে—
একজন দণ্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ নেত্রীর পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর এভাবে সরে দাঁড়ানো কি কেবল ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি এর পেছনে আরও গভীর রাজনৈতিক সঙ্কেত লুকিয়ে আছে?
আইনজীবী পান্না অবশ্য পরিষ্কার করেছেন—
আদালতের প্রতি আস্থা ও নিজের নৈতিক অবস্থান যদি সামঞ্জস্য না হয়, তবে তিনি কোনোভাবেই চাপের কাছে মাথা নত করবেন না।








