প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে বিষয়টি জানিয়েছিল। ২০২৫ সালের ১২ দিনের যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ মিসাইল ব্যবহার করায় ইসরায়েলের মজুত আগেই সীমিত হয়ে পড়েছিল।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, এই ঘাটতির বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকেই জানত এবং কয়েক মাস ধরে তা পর্যবেক্ষণ করছিল। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুতে এখনো ঘাটতি নেই। তবে যুদ্ধ দীর্ঘ হলে মার্কিন মজুতেও চাপ তৈরি হতে পারে বলে উদ্বেগ রয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের ধারাবাহিক হামলার কারণে ইসরায়েলের দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যাপক চাপে পড়েছে। ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার শুরু করায় প্রতিরোধী মিসাইল দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে ড্রোন প্রতিরোধে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোর দিকে ৫০টির বেশি দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েল যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন উপায়ে এসব হামলা মোকাবিলা করলেও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে প্রতিরোধী মিসাইল সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ইসরায়েলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত স্বল্পপাল্লার হামলা প্রতিহত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।








