কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর আহতদের চিকিৎসা সহায়তায় মানবিক ভূমিকা রেখেছে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস। সংকটময় পরিস্থিতিতে রক্তের ঘাটতি দেখা দিলে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের নিয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নেন রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
গত বুধবার (৩ জুন) সংঘটিত ওই ড্রোন হামলায় অন্তত ৬৩ জন আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন পড়ে। এ অবস্থায় কুয়েতের সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে রক্তের স্বল্পতার খবর পাওয়ার পরই দ্রুত মানবিক উদ্যোগ নেন বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তারা সরাসরি ব্লাড ব্যাংকে উপস্থিত হয়ে রক্তদান করেন। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তারা।
দূতাবাস জানিয়েছে, এই সংকটময় মুহূর্তে বন্ধুপ্রতিম কুয়েতের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশের মানবিক দায়িত্বের অংশ। পাশাপাশি কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদেরও রক্তদানের মাধ্যমে এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এক বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস আরও জানায়, প্রয়োজনে বাংলাদেশি নাগরিকরা কুয়েতের সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংকে যোগাযোগ করে স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে পারেন।
এদিকে বাংলাদেশ দূতাবাসের এই উদ্যোগ কুয়েতি সমাজে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষক ও একজন প্রভাবশালী কলামিস্ট সামাজিক মাধ্যমে দূতাবাসের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মানবিক উদ্যোগ কুয়েতে বাংলাদেশের অবস্থান ও ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে এই সহমর্মিতা দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।








