বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সবশেষ

ভিসা নিয়ে প্রবাসীদের সুখবর দিল ইরাক সরকার

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে ভিসা কিংবা রেসিডেন্সি পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় জরিমানার মুখে পড়া বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ছাড় ঘোষণা করেছে স্থানীয় সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করলে বিলম্বজনিত জরিমানার ৭৫ শতাংশ মওকুফ পাওয়া যাবে। অর্থাৎ, মোট জরিমানার মাত্র এক-চতুর্থাংশ পরিশোধ করতে হবে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) কুর্দিস্তান অঞ্চলের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইরাকে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। এ সিদ্ধান্তের ফলে যেসব বাংলাদেশি প্রবাসীর ভিসা বা রেসিডেন্সি পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জন্য জরিমানার বোঝা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কারা পাবেন জরিমানায় ছাড়?
কুর্দিস্তান অঞ্চলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেবার আহমেদের নির্দেশে জারি করা আদেশ নম্বর ৩২৫৫৭ অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী বিদেশি নাগরিকেরা এ সুবিধা পাবেন।

এ ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণির বিদেশি নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রথমত, যারা বৈধ ভিসা নিয়ে কুর্দিস্তান অঞ্চলে প্রবেশ করেছেন, কিন্তু কোনো কারণে ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারেননি অথবা ভিসাকে রেসিডেন্সি পারমিটে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছেন। দ্বিতীয়ত, যাদের রেসিডেন্সি পারমিটের মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

এসব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিলম্বজনিত জরিমানার ৭৫ শতাংশ মওকুফ করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী, ২০১১ সালের নির্দেশনা নম্বর ১-এ উল্লেখিত বিলম্বজনিত জরিমানার ওপর এ ছাড় কার্যকর হবে।

সুবিধা পেতে সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর
জরিমানায় ছাড় নিতে আগ্রহীদের আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে কুর্দিস্তান অঞ্চলের যেকোনো একটি রেসিডেন্সি অধিদপ্তরে যোগাযোগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলেই এ সুবিধা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

তাই যেসব বাংলাদেশি প্রবাসীর ভিসা বা বসবাসের অনুমতিপত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাদের জন্য নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।

জরিমানার চাপ কমানোর সুযোগ
ভিসা নবায়ন কিংবা রেসিডেন্সি পারমিটের মেয়াদ বাড়াতে না পারার কারণে যাদের দীর্ঘ সময়ের জরিমানা জমেছে, তাদের ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশ ছাড় আর্থিক চাপ কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে সুবিধাটি পেতে সংশ্লিষ্ট আদেশের শর্ত পূরণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

কুর্দিস্তান অঞ্চলের স্থানীয় সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে ব্যক্তিভেদে কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন হবে এবং আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট রেসিডেন্সি অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *