বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পরই খেয়াল হলো ল্যাপটপটি সঙ্গে নেই। কোথায় ফেলে এসেছেন, সেটিও নিশ্চিত ছিলেন না সৌদি আরবফেরত প্রবাসী মো. হযরত আলী। শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দরের ভেতরেই সেটির সন্ধান মেলে। আর ল্যাপটপের মালিককে খুঁজে বের করে সেটি ফিরিয়ে দিতে উদ্যোগী হন দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা।
রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ আনসারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রিয়াদ থেকে এসভি-৭৯৮ ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন হযরত আলী। বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকায় ট্রলির ওপর অসাবধানতাবশত ল্যাপটপটি রেখে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
ক্যানোপি এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ল্যাপটপটি দেখতে পান কর্তব্যরত এপিসি মো. গোলাম রব্বানী। সেটি নিরাপদে নিজের হেফাজতে নেওয়ার পর তিনি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পিসি মো. নিজাম উদ্দিনকে জানান।
এরপর শুধু ল্যাপটপটি হেফাজতে রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি আনসার সদস্যরা। এভসেক কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নিয়ে বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে মাইকিং করে ল্যাপটপটির মালিককে খুঁজতে শুরু করেন তারা।
একপর্যায়ে হযরত আলীর সন্ধান পাওয়া যায়। পরে তাকে ডিএসও অফিসে নেওয়া হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ল্যাপটপটি প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
নিজের হারানো ল্যাপটপ ফিরে পেয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান প্রবাসী হযরত আলী।
ঘটনাটিতে ল্যাপটপ হারানোর পর সেটি উদ্ধারের পাশাপাশি মালিক শনাক্ত করার জন্য বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আনসার সদস্যদের সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়টিও সামনে এসেছে।








