মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতো, তাহলে ইসরাইলের অস্তিত্ব কয়েক ঘণ্টার বেশি টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ত। তার মতে, এমন পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হওয়ায় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।
ইরানের সঙ্গে সমঝোতার ঘোষণা দেওয়ার পর নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের ধরন নিয়েও সমালোচনা করেন।
ট্রাম্প বলেন, লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযান এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল, যা ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা প্রক্রিয়াকে প্রায় ভেস্তে দিতে বসেছিল। নেতানিয়াহুকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তিনি খুবই কঠিন একজন মানুষ।”
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্য, “সত্যি বলতে, এ জন্য তার আমাদের প্রতি খুবই কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। কারণ ইরানের যদি পারমাণবিক অস্ত্র থাকত, তাহলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকে থাকতে পারত না।”
একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সতর্ক করেন, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা না হলে ওয়াশিংটন আবারও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দাবি, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলাই তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরতে এবং সমঝোতার পথে আসতে বাধ্য করেছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তারা তৃতীয় হামলা চায়নি। তারা বেঁচে থাকতে চায়।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার ভাষায়, “মূল বিষয় হলো, আমাদের চালানো হামলাগুলো এই চুক্তি বাস্তবায়নে বিশাল ভূমিকা রেখেছে। এর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বড়।”








